www.ainadalatprotidin.com
  • মঙ্গল. জুলা ২৭, ২০২১

AIN ADALAT PROTIDIN

সত্যের সন্ধানে আইন-আদালত প্রতিদিন

হয়রানি বন্ধে হিজড়াদেরকে কঠোর বার্তা পুলিশের

ভালো লাগলে শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

পল্লবী থানা এলাকার এক সম্মানিত নাগরিক বাংলাদেশ পুলিশের মিডিয়া এন্ড পাবলিক রিলেশন্স উইং-কে তার বাসস্থানের পার্শ্ববর্তী এলাকায় হিজড়া সম্প্রদায়ের উৎপাত ও হয়রানির কথা উল্লেখ করে একটি বার্তা প্রেরণ করেন। বার্তায় তিনি উল্লেখ করেন, কিছু হিজড়া সদস্য নবজাতক শিশু ও ঈদসহ পা‌রিবা‌রিক, ধর্মীয় ও রাষ্ট্রীয় বিভিন্ন উপলক্ষে বাড়ি বাড়ি ও ফ্লাটে ফ্লাটে গিয়ে স্থানীয়দের কাছ থেকে দুই তিন হাজার টাকা চাঁদা দাবী করে। কেউ দিতে না চাইলে বা কারো দেয়ার সামর্থ্য না থাকলে তার সাথে অত্যন্ত অশোভন আচরণ করেন এরা।
উল্লিখিত বার্তাটি গ্রহণ করেই সেটি পল্লবী থানার ওসি মো. পারভেজ ইসলম, পিপিএম (বার) কে প্রেরণ করে এ বিষয়ে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্দেশনা দেয় মিডিয়া এন্ড পাবলিক রিলেশন্স উইং। প্রদত্ত নির্দেশনার আলোকে ওসি পল্লবী স্থানীয় হিজড়া সম্প্রদায়ের নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিদেরকে থানায় ডাকেন। স্বাস্থ্যবিধি মেনে তাদের সাথে আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। সেই আলোচনা সভায় পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স থেকে অনলাইনে যুক্ত থাকে মিডিয়া এন্ড পাবলিক রিলেশন্স। জনস্বার্থ বিরোধী যেকোনো কার্যক্রমের অভিযোগ এলে প্রচলিত আইনে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে সতর্ক করা হয়। সভায় হিজড়া সম্প্রদায়ের নেতৃবৃন্দ এ ধরনের কোনো অভিযোগ ভবিষ্যতে যেনো না আসে তা নিশ্চিত করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
এ বিষ‌য়ে তথ্যদাতা ভদ্র‌লোক তার প্র‌তি‌ক্রিয়ায় জা‌নিয়ে‌ছেন, “আলহামদুলিল্লাহ। আমরা অনেক খুশী এবং নিরাপদ বোধ করছি স্যার। বাংলাদেশ পুলিশের প্রতি অশেষ কৃতজ্ঞতা।”এদিকে : বর্তমানে হিজড়ার অপর নাম আতঙ্ক। এরা রাস্তাঘাটে, বাস-ট্রেনে, যেখানে সেখানে মানুষের কাছ থেকে হাতিয়ে নিচ্ছে লাখ লাখ টাকা। হিজড়াদের উৎপাত এতদিন শহরে লক্ষ করা গেলেও বর্তমানে গ্রামেও এদের প্রভাব ছড়িয়ে পড়েছে। ইদানীং দেখা যাচ্ছে, কিছু ‘নকল’ হিজড়া যারা মূলত পুরুষ; অথচ হিজড়া সেজে বাড়ি বাড়ি চাল ও টাকা আদায় করছে। তাদের কাজে কেউ বাধা দিলে তারা অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করে প্রকাশ্যেই কাপড়-চোপড় খুলে ফেলে। এমন কী তাদের হাতে খুনের ঘটনাও ঘটেছে। এ ছাড়া নবজাতক ও শিশুদের জিম্মি করে অভিভাবকের কাছ থেকে হাতিয়ে নিচ্ছে মোটা অঙ্কের টাকা। পুরুষ থেকে ইচ্ছাকৃতভাবে যারা হিজড়া হয়েছে; তারাই বেশি অত্যাচার করে থাকে। তাদের বিরুদ্ধে কেন ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে না? দেশে কি কোনো আইন নেই?
শিক্ষার্থী, মৌলভীবাজার সরকারি কলেজ

 82 total views,  4 views today

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *