বুধবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৫:২০ পূর্বাহ্ন

সিনহা হত্যা মামলার দ্বিতীয় সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু

সিনহা হত্যা মামলার দ্বিতীয় সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু

ভালো লাগলে শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান হত্যা মামলায় দ্বিতীয় দফায় সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়েছে। আজ রোববার সকাল সোয়া ১০টায় কক্সবাজার জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মোহাম্মদ ইসমাইলের আদালতে সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়। আগামী বুধবার পর্যন্ত টানা চার দিন সাক্ষ্যগ্রহণ চলবে বলে আদালত সূত্র জানায়। আজ সকাল পৌনে ১০টায় কড়া পাহারায় জেলা কারাগার থেকে টেকনাফ থানার বরখাস্ত ওসি প্রদীপ কুমার দাশসহ ১৫ আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়।

গত ২৩ আগস্ট সাক্ষ্যগ্রহণের সময় আদালতের কাঠগড়ায় মোবাইল ফোনে কথা বলে ওসি প্রদীপ আলোচনার জন্ম দেন। এ ঘটনায় তিন পুলিশকে প্রত্যাহার করা হয়। ফলে গতবারের চেয়ে এবার আদালতে বাড়তি নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।
আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) ফরিদুল আলম জানান, আজ এ মামলায় ৪ থেকে ৫ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ করা হবে। আগামী বুধবার পর্যন্ত সাক্ষ্যগ্রহণ চলবে।

এর আগে গত ২৩ আগস্ট থেকে ২৫ আগস্ট টানা তিন দিনে দুজনের সাক্ষ্যগ্রহণ নেওয়া হয়েছিল। প্রথম দফায় মামলার বাদী শারমিন শাহরিয়া ফেরদৌস ও একমাত্র প্রত্যক্ষদর্শী মেজর সিনহার সঙ্গী সাহেদুল ইসলাম সিফাতের সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়। আদালত প্রথম দফায় সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য ১৫ জনকে সমন জারি করেছিলেন।

উল্লেখ্য, ২০২০ সালের ৩১ জুলাই রাতে টেকনাফ মেরিন ড্রাইভ সড়কের শামলাপুর তল্লাশিচৌকিতে পুলিশের গুলিতে নিহত হন সিনহা মো. রাশেদ খান। ওই ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে তিনটি (টেকনাফে দুটি, রামুতে একটি) মামলা করে। পুলিশের মামলায় সিনহার সঙ্গে থাকা সাহেদুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এরপর সিনহা যেখানে ছিলেন, হিমছড়ির নীলিমা রিসোর্টে ঢুকে তাঁর ভিডিও দলের দুই সদস্য শিপ্রা দেবনাথ ও তাহসিন রিফাত নুরকেও আটক করে পুলিশ। পরে নুরকে ছেড়ে দিলেও শিপ্রা ও সাহেদুলকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠায়। পরে তাঁরা জামিনে মুক্তি পান।

ঘটনার পাঁচ দিন পর অর্থাৎ ৫ আগস্ট নিহত সিনহার বোন শারমিন শাহরিয়ার ফেরদৌস বাদী হয়ে বাহারছড়া পুলিশ তদন্তকেন্দ্রের সাবেক ইনচার্জ পরিদর্শক লিয়াকত আলীকে প্রধান আসামি এবং টেকনাফ থানার সাবেক ওসি প্রদীপ কুমার দাসসহ নয় পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দায়ের করেন। এরপর প্রধান আসামি লিয়াকত আলী ও টেকনাফ থানার সাবেক ওসি প্রদীপ কুমার দাসসহ ৭ পুলিশ সদস্য আদালতে আত্মসমর্পণ করেন। আলোচিত এ মামলা ২০২০ সালের ১৩ ডিসেম্বর টেকনাফ থানার বরখাস্ত ওসি প্রদীপ কুমার দাসসহ ১৫ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দেন তদন্ত কর্মকর্তা র‍্যাব-১৫ এর সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মো. খায়রুল ইসলাম। মামলায় ওসি প্রদীপ কুমার দাস ও কনস্টেবল রুবেল শর্মা ছাড়া ১২ জন আসামি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। বর্তমানে মামলার ১৫ আসামি কারাগারে রয়েছে।

 40 total views,  1 views today

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




themesba-zoom1715152249
© আইন আদালত প্রতিদিন। সর্বসত্ব সংরক্ষিত।
ডিজাইন ও ডেভেলপে Host R Web