www.ainadalatprotidin.com
  • মঙ্গল. এপ্রি ২০, ২০২১

AIN ADALAT PROTIDIN

সত্যের সন্ধানে আইন-আদালত প্রতিদিন

ষড়যন্ত্রকারীদের কবলে চট্টগ্রামের দেবী শেঠির বিশ্বমানের ইমপেরিয়াল হাসপাতাল !

Byআইন আদালত প্রতিদিন

ডিসে ২, ২০১৯
ভালো লাগলে শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

ষড়যন্ত্রকারীদের কবলে চট্টগ্রামের দেবী শেঠির বিশ্বমানের ইমপেরিয়াল হাসপাতাল।

লিখছেন:অ্যাডভোকেট রায়হানুল ওয়াজেদ চৌধুরী,জজ আদালত, চট্টগ্রাম।

চট্টগ্রামের পাহাড়তলী চক্ষু হাসপাতালের পাশে বহুল প্রতীক্ষিত ও আলোচিত হাজার কোটি টাকার বিশ্ববিখ্যাত হার্ট বিশেষজ্ঞ ডাঃ দেবী শেঠি ব্রান্ডিং ইমপেরিয়াল হাসপাতাল এখন প্রায় বন্ধ !

 

বিশ্বমানের অত্যাধুনিক এই প্রতিষ্ঠান টি ঘুরে দেখলাম সর্বত্র হতাশা। শুনশান নীরবতা বিরাজ করছে। হাসপাতালের বিভিন্ন বিভাগের কর্মকর্তা কর্মচারীদের দেখা গেছে কিন্তু কোন রোগীকে দেখা যায় নি। পুরো হাসপাতালে সব জায়গায় সবকিছু সুন্দর সুশৃংখল সাজানো-গোছানো , পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন দেখলাম।

 

গত জুন মাসে ডাঃ দেবী শেঠী সহ বাংলাদেশর মন্ত্রী ও গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত হয়ে মহাসমারোহে উদ্বোধন হয়েছিল ইম্পেরিয়াল হসপিটাল। যা এখনো প্রায় বন্ধ ! হাসপাতালের পরিচালনায় প্রতি

মাসে কোটি কোটি টাকার অধিক লোকসান গুনছে তারা !

 

এর কারণ হিসেবে জানতে পারলাম, দেশের এক শ্রেণীর অসাধু ডাক্তার এবং হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের তথা

কুচক্রীদের মাথা ব্যাথার কারণেই নাকি ইম্পেরিয়াল হসপিটালের এই অবস্থা !

চট্টগ্রামের সিরিয়াস রুগীদের ঢাকায় কয়েকটি নামিদামি বেসরকারি হাসপাতাল গুলোতে রেফার করেন ডাক্তাররা। আবার সারা দেশ থেকেও ঢাকা সেইসব হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ইম্পেরিয়াল হসপিটাল পুরোপুরি চালু হলে সেই কুচক্রীদের ব্যবসা হবে না। যার কারণে তারা চাই না এই হাসপাতাল চালু হয় ! শুনলাম ঢাকা তথা বাংলাদেশের তথা-কথিত বড় বড় চিকিৎসক, বিশেষ করে হার্ট স্পেশালিস্টরা বেকার হয়ে যাবে তাই এই ষড়যন্ত্র।

 

ডাঃ দেবী শেঠির নিজের ছোট ভাই সহ নাকি দুই ডজন ডাক্তার ও অসংখ্য প্রশিক্ষিত নার্স নিয়ে এসেছিলেন ইম্পেরিয়াল হসপিটালে।

কিন্ত এখানে ভয়ংকর এক চক্রান্তের শিকার হয়ে তাঁরা দেশে ফিরে যান। বাংলাদেশে মেডিকেল এসোসিয়েশন নাকি তাদের কাজ করতে অনুমতি দেয়নি এবং তার আগে অনেকগুলি অসম্ভব শর্তপুরনের কথা বলে।

 

কারণ চট্টগ্রামে হার্টের কোন চিকিৎসা নাই বললেই চলে। ঢাকায় কয়েকটি নামিদামি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা খরচ অনেক বেশি। যার কারণে সবাই ভারতমুখী। চট্টগ্রামে যে কয়েকটি বেসরকারি হাসপাতাল আছে সেগুলোর কার্যক্রম ও পরিচালনা সমালোচিতএবং স্বাস্থ্য সেবা নিয়ে সবাই অসন্তুষ্ট। যার কারণে বিশ্বনন্দিত হার্ট স্পেশালিস্ট দেবী শেটি এর সাথে যুক্ত থাকায় মানুষের আস্থা ও বিশ্বাস অনেক বেড়ে যায়। কারণ ভারতের নারায়ণ হাসপাতালের মতো সবরকম যন্ত্রপাতি ও সুযোগ সুবিধা নাকি এখানে ব্যবস্থা করা হয়েছে।

অবিশ্বাস্য হলেও সত্য যে গত কয়েক মাসে সারা দেশ থেকে নাকি প্রায় ১৫ হাজার হার্টের রোগী এখানে চিকিৎসার জন্য রেজিস্ট্রেশন করিয়েছে চিকিৎসার জন্য। কিন্তু সবাই হতাশ হয়ে আছে। হার্ট বিভাগ পুরোপুরি প্রস্তুত থাকলেও এখনো চালু করতে পারেনি ইম্পেরিয়াল ! সাধারণ সেবা চালু করেছে শুধু।

 550 total views,  5 views today

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *