চালু হচ্ছে ভার্চুয়াল কোর্ট: সুপ্রিমকোর্টের রুলস কমিটি পুনরায় গঠন

চালু হচ্ছে ভার্চুয়াল কোর্ট: সুপ্রিমকোর্টের রুলস কমিটি পুনরায় গঠন

ভালো লাগলে শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়া করোনা ভাইরাসের কারণে সৃষ্ট পরিস্থিতে সাধারণ ছুটিতে (৫ মে পর্যন্ত) আদালত বন্ধ রেখে ভার্চুয়াল কোর্ট চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

এজন্য সুপ্রিমকোর্টের রুলস কমিটি পুনরায় গঠন

এবং ভার্চুয়াল কোর্ট চালু করার জন্য প্রয়োজনীয় আইনগত প্রতিবন্ধকতা দূর করতে পদক্ষেপ গ্রহণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

রোববার (২৬ এপ্রিল) প্রথমবারের ভিডিও কনফারেন্সে প্রধান বিচারপতির সভাপতিত্বে ফুলকোর্ট সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। কনফারেন্সে সংযুক্ত ছিলেন সুপ্রিমকোর্টের উভয় বিভাগের ৮৮ জন বিচারপতি।

সুপ্রিমকোর্টের মুখপাত্র ও হাইকোর্ট বিভাগের স্পেশাল অফিসার মোহাম্মদ সাইফুর রহমান জানান,সভায় আগামী ৫ মে পর্যন্ত বাংলাদেশ সুপ্রিমকোর্টের উভয় বিভাগের বিচারিক কার্যক্রম স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত হয়। ভার্চুয়াল কোর্ট চালু করার জন্য প্রয়োজনীয় আইনগত প্রতিবন্ধকতা দূর করার পদক্ষেপ ও বাংলাদেশ সুপ্রিমকোর্টের রুলস কমিটি পুনরায় গঠনের সিদ্ধান্ত হয়।

এছাড়া সুপ্রিমকোর্ট স্পেশাল কমিটি ফর জুডিশিয়াল রিফমর্স ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে আদালতের কার্যক্রম পরিচালনার বিষয়ে বিচারক, আইনজীবীদের প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ দেওয়ার কার্যক্রম পরিচালনা করবেন এবং প্রধান বিচারপতিকে সময় সময় অগ্রগতি অবহিত করবেন বলে জানান সাইফুর রহমান।

করোনা ভাইরাস পরিস্থিতি মোকাবিলায় গত ২৬ মার্চ থেকে সরকারি আদেশের সঙ্গে মিল রেখে আদালত অঙ্গনও বন্ধ রয়েছে। কেবল জরুরি প্রয়োজনে প্রত্যেক জেলায় একটি করে ম্যাজিস্ট্রেট কোর্ট খোলা। এ অবস্থায় সুপ্রিমকোর্ট বারের সভাপতি আমিন উদ্দিন ও সম্পাদক রুহুল কুদ্দুস কাজল স্বল্প পরিসরে কোর্ট চালু করতে প্রধান বিচারপতিকে অনুরোধ করেন।

এরমধ্যে আবার সুপ্রিমকোর্টের ১৪ জন আইনজীবী সীমিত পরিসরে এক/দু’টি বেঞ্চ কিংবা অনলাইনে কোর্ট খোলার জন্য প্রধান বিচারপতিকে চিঠি দিয়েছেন। করোনা ভাইরাস নিয়ে প্রয়োজনীয় আদেশ চেয়ে একটি বেঞ্চ গঠনে অপর দুই আইনজীবীও চিঠি দিয়েছেন।

এছাড়া ঢাকা বারের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকও প্রধান বিচারপতি বরাবরে স্বাস্থ্যবিধি মেনে আংশিক জজকোর্ট খোলার আবেদন করেন।

এরপর গত ২৩ এপ্রিল সুপ্রিমকোর্ট প্রশাসন এক বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, উদ্ভূত পরিস্থিতিতে কঠোর সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে অতীব জরুরি বিষয়গুলো শুনানির নিমিত্তে ছুটিকালীন সময়ে সুপ্রিমকোর্টের আপিল বিভাগের বিচারপতি মো. নুরুজ্জামান আপিল বিভাগের চেম্বার কোর্টে বসবেন।

তাছাড়া ছুটিকালীন হাইকোর্ট বিভাগে বিচারপতি ওবায়দুল হাসান সব অধিক ক্ষেত্রের অতি জরুরি বিষয়গুলো শুনানির নিমিত্তে হাইকোর্ট বিভাগের কার্যক্রম পরিচালনা করবেন।

অপর বিজ্ঞপ্তিতে সপ্তাহে দু’দিন জজ কোর্টও খোলা রাখার সিদ্ধান্ত হয়।

এ দুই বিজ্ঞপ্তি জারির পর আইনজীবীরা কোর্ট চালু না করতে আবেদন জানান। এর পরিপ্রেক্ষিতে ২৫ এপ্রিল সুপ্রিমকোর্ট চালুর সিদ্ধান্ত ২৭ এপ্রিল পর্যন্ত স্থগিত করা হয়।

পাশাপাশি সপ্তাহে দু’দিন জজকোর্ট খোলার বিজ্ঞপ্তির কার্যকারিতাও পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়। এছাড়া রোববার ফুলকোর্ট সভা আহ্বান করা হয়।

 438 total views,  2 views today

জজ আদালত জাতীয় প্রচ্ছদ সারাদেশ সুপ্রীমকোর্ট