www.ainadalatprotidin.com
  • মঙ্গল. এপ্রি ২০, ২০২১

AIN ADALAT PROTIDIN

সত্যের সন্ধানে আইন-আদালত প্রতিদিন

বিয়ের প্রলোভনে প্রেমিকাকে গণধর্ষণ!

ভালো লাগলে শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

নরসিংদীর শিবপুরে বিয়ের প্রলোভনে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে এক নারীকে গণধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে পুলিশ নির্যাতিতা ওই নারীকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য নরসিংদী সদর হাসপাতালে পাঠিয়েছে। এর আগে মঙ্গলবার রাতে উপজেলার কুন্দারপাড়ার একটি ধান খেতে এ গণধর্ষণের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনার পরদিন বুধবার রাতে শিবপুর মডেল থানায় গণধর্ষণের মামলা করে নির্যাতিতা ওই নারী।
এ ঘটনায় রাতেই রায়পুরার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত দুই আসামিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তারা হলেন, রায়পুরা উপজেলার সাহেরচর এলাকার মোমরেজ খানের ছেলে আক্তার হোসেন (৩০) এবং অপরজন একই এলাকার জামির আলীর ছেলে রহিম খান (৩২)। এ ঘটনার অপর অভিযুক্ত মোমেন ওরফে মোনায়েম খান (২৬) পলাতক রয়েছেন। মামলার বিবরণে জানা গেছে, স্বামী পরিত্যক্তা এক সন্তানের জননী ওই নারী নরসিংদী সদর উপজেলার একটি মোমবাতি ফ্যাক্টরিতে কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করতেন। একই স্থানে কাজ করতে গিয়ে পরিচিত হয় সালমা আক্তার নামে এক নারীর সাথে। তার সূত্র ধরে সালমার ভাই অভিযুক্ত আক্তার হোসেনের সাথে মোবাইলে কথোপকথন চলে, গড়ে উঠে প্রেমের সম্পর্ক। এরই জের ধরে গত মঙ্গলবার বিয়ের কথা বলে ওই নারীকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে আসেন আক্তার হোসেন। পরবর্তীতে আক্তার হোসেন তার দুই সহযোগীসহ সিএনজি যোগে বিভিন্ন স্থানে ঘোরাফেরা করে। পরে শিবপুরের কুন্দারপাড়ার একটি নির্জন স্থানের ধান খেতে নিয়ে জোরপূর্বক পালাক্রমে ধর্ষণ করে হত্যার হুমকি দিয়ে পালিয়ে যায় অভিযুক্তরা। এ ঘটনার পরদিন বুধবার রাতে আক্তার হোসেনসহ তিনজনকে আসামী করে মামলা দায়ের করেন নির্যাতিতা ওই নারী। রাতেই অভিযুক্ত দুইজন আসামিকে গ্রেফতার করলেও অপর আরেক অভিযুক্ত এখনো পলাতক রয়েছে। শিবপুর মডেল থানার ওসি (তদন্ত) আবুল কালাম বলেন, অভিযোগ পাওয়ার সাথে সাথেই আমরা অভিযান চালিয়ে দুই আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাদের বৃহস্পতিবার দুপুরে আদালতের মাধ্যমে জেল-হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে। অপর অভিযুক্তকেও গ্রেফতারে অভিযান চলছে।

 174 total views,  2 views today

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *