বৃহস্পতিবার, ১৮ অগাস্ট ২০২২, ১০:৫৬ পূর্বাহ্ন

বাবুল আক্তারের করা মামলা পুনঃতদন্তের নির্দেশ

বাবুল আক্তারের করা মামলা পুনঃতদন্তের নির্দেশ

Spread the love

মাহমুদা খানম মিতু হত্যার ঘটনায় সাবেক পুলিশ সুপার বাবুল আক্তারের করা মামলা পুনঃতদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। এছাড়া পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) দেওয়া চূড়ান্ত প্রতিবেদনের ওপর নারাজি আবেদন না মঞ্জুর করেছেন আদালত। এছাড়া পিবিআইয়ের দেওয়া চূড়ান্ত প্রতিবেদনও গ্রহণ করেনি আদালত। 

বুধবার (৩ নভেম্বর) চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মেহনাজ রহমানের আদালত শুনানি শেষে এই আদেশ দিয়েছেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাবুলের আইনজীবী শেখ ইফতেখার সাইমুল চৌধুরী। তিনি বলেন, আদালত নারাজি আবেদন খারিজ করে দিয়েছে। পাশাপাশি আমরা পুনঃতদন্তের জন্য আবেদন করেছিলাম। আদালত মামলাটি পুনঃতদন্তের জন্য দিয়েছে। এছাড়া বাবুল আক্তারের করা মামলায় আদালতে জমা দেওয়া প্রতিবেদন গ্রহণ করেনি আদালত।

এর আগে, ২৭ অক্টোবর নারাজি আবেদনের শুনানিতে বাবুল আক্তার উপস্থিতিতে হয়েছেন। শুনানি শেষে আজকে আদেশ দেওয়ার কথা বলেছিলেন আদালত। গত ১৪ অক্টোবর মাহমুদা খানম মিতু হত্যার ঘটনায় সাবেক পুলিশ সুপার বাবুল আক্তারের করা মামলায় পিবিআইয়ের দেওয়া চূড়ান্ত প্রতিবেদনের ওপর নারাজি আবেদন করেছিলেন বাবুল আক্তার নিজে। চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মেহনাজ রহমানের আদালতে আবেদনটি করেন বাবুলের আইনজীবী শেখ ইফতেখার সাইমুল চৌধুরী। তখন তিনি বলেছিলেন, আদালত ২৭ অক্টোবর বাবুল আক্তারের উপস্থিতিতে চূড়ান্ত প্রতিবেদনে নারাজি আবেদনের বিষয়ে শুনানি হবে।

নারাজি আবেদনে বলা হয়েছিল, বাবুল ষড়যন্ত্রের শিকার। তিনি এ মামলার বাদী ছিলেন। তাকে আসামি করতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দেওয়া হয়। উল্লেখ্য, ২০১৬ সালের ৫ জুন সকালে চট্টগ্রাম নগরের নিজাম রোডে ছেলেকে স্কুলবাসে তুলে দিতে যাওয়ার পথে দুর্বৃত্তদের গুলি ও ছুরিকাঘাতে খুন হন মাহমুদা খানম (মিতু)। ওই সময় এ ঘটনা দেশজুড়ে ব্যাপক আলোচিত হয়। ঘটনার সময় মিতুর স্বামী পুলিশ সুপার বাবুল আক্তার অবস্থান করছিলেন ঢাকায়। ঘটনার পর চট্টগ্রামে ফিরে বাবুল আক্তার পাঁচলাইশ থানায় অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

জঙ্গিবিরোধী কার্যক্রমের জন্য স্ত্রীকে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে বলে মামলায় অভিযোগ করেন তিনি। তবে দিন যত গড়িয়েছে মামলার গতিপথও পাল্টেছে। এক পর্যায়ে সন্দেহের কেন্দ্রবিন্দুতে আসে স্বামী বাবুল আক্তারের নাম। তদন্তে তার বিরুদ্ধেই হত্যার সঙ্গে জড়িত থাকার সংশ্লিষ্টতা পাওয়ার পর জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ১১ মে ডেকে তাকে হেফাজতে নেয় পিবিআই। 

পরে ১২ মে বাবুল আক্তারসহ আটজনকে আসামি করে মামলা দায়ের করা হয়। স্ত্রী মাহমুদা খানম (মিতু) হত্যা মামলার প্রধান আসামি বাবুল আক্তারকে পাঁচ দিনের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করে পিবিআই। রিমান্ড শেষে প্রথমে আদালতে জবানবন্দি দেওয়ার কথা থাকলেও পরে জবানবন্দি দেননি বাবুল। তারপর তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।

 141 total views,  2 views today

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




themesba-zoom1715152249
© আইন আদালত প্রতিদিন। সর্বসত্ব সংরক্ষিত।
ডিজাইন ও ডেভেলপে Host R Web