বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২০, ০৭:০৫ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
ঐতিহ্যবাহী চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির কার্যক্রম সফটওয়ার ডিজিটালাইশনের শুভ উদ্বোধন মুরাদপুর ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ড ছাত্রলীগের সম্মেলন সম্পন্ন মহিপুর ইউপি নির্বাচনে নৌকা মার্কার সমর্থনে প্রচার প্রচারণা করেন ইউপি চেয়ারম্যান শিমু। কলাপাড়ায় প্রধান শিক্ষকের বাড়ির চলাচলের রাস্তায় কাটার বেড়া দিয়েছে প্রতিপক্ষ কলাপাড়ায় আসার পথে বোঝাই ট্রাক থেকে রড চুরি। কলাপাড়া হাসপাতালের ডাঃ তনিমা পারভীনের বিরুদ্ধে মামলা কলাপাড়ায় পূর্ব শত্রুতার জের ধরে হামলা; আহত-৩ কলাপাড়া পৌর শহর আওয়ামী লীগের পকেট কমিটি বাতিলের দাবিতে ত্যাগী নেতাদের সংবাদ সম্মেলন। কলাপাড়ায়  হাসপাতালের ডাক্তার কর্তৃক দায়ের করা মামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন ও সংবাদ সম্মেলন। কলাপাড়ার নাচনাপাড়ায় গ্রামে মাস্ক বিতরন।
প্রশ্নঃ- ফজরের নামাজের ওয়াক্ত আরম্ব হয় কখন হতে?

প্রশ্নঃ- ফজরের নামাজের ওয়াক্ত আরম্ব হয় কখন হতে?

জবাবঃ- সুবহে সাদেক উদিত হলে ফজরের নামাযের সময় শুরু হয় এবং রোযাদারের জন্য পানাহার হারাম হয়ে যায়। (সুবহে সাদেক বলা হয় সেই সময়কে, যে সময়ে ভোরের আভা পূর্ব আকাশে উত্তর-দক্ষিণে বিস্থির্ণ অবস্থায় দেখা যায়।) আর এর শেষ সময় হল সূর্যোদয়ের পূর্ব পর্যন্ত।

তবে এই নামায প্রথম অক্তে ‘গালাসে’ (একটু অন্ধকারে কাক ভোরে) পড়া উত্তম।

মা আয়েশা (রাঃ) বলেন, ‘আল্লাহর রসূল (সাঃ) ফজরের নামায পড়তেন। অতঃপর মহিলারা তাদের চাদর জড়িয়েই নিজ নিজ বাসায় ফিরে যেত। কিন্তু অন্ধকারের জন্য তাদেরকে চেনা যেত না।’ (বুখারী, মুসলিম, মিশকাত ৫৯৮নং)

আবূ মূসা (রাঃ) বলেন, ‘একদা আল্লাহর রসূল (সাঃ) তখন ফজরের নামায পড়লেন, যখন কেউ তার পাশ্ববর্তী সঙ্গীর চেহারা চিনতে পারত না অথবা তার পাশে কে রয়েছে তা জানতে পারত না।’ (আবূদাঊদ, সুনান ৩৯৫, ৩৯৮নং)

আবূ মাসঊদ আনসারী (রাঃ) বলেন, তিনি [নবী (সাঃ)] একবার ফজরের নামায অন্ধকারে (খুব ভোরে) পড়লেন। অতঃপর দ্বিতীয় বার ফর্সা করে পড়লেন। এরপর তাঁর ফজরের নামায অন্ধকারেই হত। আর ইন্তেকাল অবধি কোন দিন পুনর্বার (ফজরের নামায) ফর্সা করে পড়েন নি।’ (আবূদাঊদ, সুনান ৩৯৪নং)

আল্লাহর রসূল (সাঃ) বলেন, “তোমরা ফজরের নামায ফর্সা করে পড়। কারণ, তাতে সওয়াব অধিক।” (আবূদাঊদ, সুনান, তিরমিযী, সুনান, নাসাঈ, সুনান, মিশকাত ৬১৪নং)

এই হাদীসের ব্যাখ্যা এই যে, ‘ফজর স্পষ্টরুপে প্রকাশ হতে দাও, নিশ্চিতরুপে ফজর উদিত হওয়ার কথা না জেনে নামাযের জন্য তাড়াহুড়া করো না।’ অথবা ‘তোমরা ফজরের নামায লম্বা ক্বিরাআত ধরে ফর্সা করে পড়। এতে অধিক সওয়াব লাভ হবে।

আর এ কথা বিদিত যে, মহানবী (সাঃ) নিজে এই নামাযে (কখনো কখনো) ৬০ থেকে ১০০ আয়াত পর্যন্ত পাঠ করতেন এবং যখন নামায শেষ করতেন, তখন প্রত্যেকে তার পাশের সাথীকে চিনতে পারত। (বুখারী ৫৯৯নং)

অথবা ‘ চাঁদনী রাতে একটু ফর্সা হতে দাও। যাতে ফজর হওয়া স্পষ্ট ও নিশ্চিতরুপে বুঝা যায়।’ (আলমুমতে’, শারহে ফিক্‌হ, ইবনে উষাইমীন ২/১১৪-১১৫)

যেহেতু তাঁর আমল মৃত্যু পর্যন্ত ফজরের নামায ফর্সা করে ছিল না, বরং এ নামায একটু অন্ধকার থাকতেই শুরু করতেন, সেহেতু উক্ত হাদীসের এই সব ব্যাখ্যা নিশ্চয়ই যুক্তিযুক্ত।

 255 total views,  2 views today

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




themesba-zoom1715152249
© আইন আদালত প্রতিদিন। সর্বসত্ব সংরক্ষিত।
ডিজাইন ও ডেভেলপে Host R Web