শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২০, ১০:২৮ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
সীতাকুণ্ড ব্লাড ডোনেট গ্রুপের সপ্তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও স্বেচ্ছাসেবী মিলন মেলা সম্পন্ন যাত্রী কল্যাণ সমিতি হালিশহর থানা আহ্বায়ক কমিটি গঠিত ইন্টারন্যাশনাল হিউম্যান রাইটস কমিশন, বাংলাদেশ শাখার করোনা সচেতনতায় টিশার্ট ও মাস্ক বিতরণ অব্যাহত বিশ্ব নবী (সাঃ) কে অবমাননা করার প্রতিবাদে কলাপাড়ায় বিক্ষোভ ও সমাবেশ ॥ সরকারী জায়গায় ঘর তুলতে গিয়ে বাঁধার মুখে কলাপাড়া হাসপতালের জহির কলাপাড়া সাংবাদিক ফোরামে দেয়াল ঘড়ি দিলেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী নিজাম উদ্দিন কলাপাড়ায় ইউপি সদস্য হত্যা মামলার তিন আসামী গ্রেপ্তার কলাপাড়া পৌর নির্বাচনে কাউন্সিলর পদে সাবেক ছাত্রলীগ নেতা হাসিব গাজীর প্রার্থীতা ঘোষণা কলাপাড়ার লালুয়ায় সাবেক এক ইউপি সদস্য’র রহস্যজনক মৃত্যু ঐতিহ্যবাহী চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির কার্যক্রম সফটওয়ার ডিজিটালাইশনের শুভ উদ্বোধন
পুলিশের হাল দেখে বিস্মিত হন বিচারপতি মুরলীধর

পুলিশের হাল দেখে বিস্মিত হন বিচারপতি মুরলীধর

বিতর্কিত নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন (সিএএ) ঘিরে দিল্লিতে শুরু হওয়া হিন্দুত্ববাদী তাণ্ডবে গত চারদিনে এখন পর্যন্ত অন্তত ২৭ জন প্রাণ হারিয়েছে। হিন্দুত্ববাদী বিজেপি নেতাদের ঘৃণাবাদী বক্তব্য ও উসকানির জেরে শুরু হয় এই তাণ্ডব। অভিযোগ উঠেছে রাজ্য সরকার ও পুলিশ এই সহিংসতা ঠেকাতে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়নি। এমন অবস্থায় বুধবার পুলিশকে কড়া ভাষায় সমালোচনা করেন দিল্লি হাইকোর্টের বিচারপতি এস মুরালিধর।

ঘৃণাবাদী ও উসকানিমূলক বক্তব্য দেওয়া নেতাদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নিতে দিল্লি পুলিশকে নির্দেশ দেন বিচারপতি মুরালিধর। তিনি বলেন,  আরেকটি ১৯৮৪-এর মতো পরিস্থিতি ঘটতে দিতে পারেন না আদালত। উসকানিমূলক বক্তব্যের ভিডিও পর্যালোচনা করে বৃহস্পতিবারের মধ্যে যথাযথ ব্যবস্থা নিতে পুলিশ কমিশনার আমুলিয়া পাটনায়েককে নির্দেশ দেন তিনি। সুনির্দিষ্টভাবে বিজেপির তিন নেতা অনুরাগ ঠাকুর, কপিল মিশ্র ও পারভেশ ভার্মার ঘৃণাবাদী বক্তব্যের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়ার পাশাপাশি নাগরিকদের নিরাপত্তা, ২৪ ঘণ্টা হেল্পলাইন, পর্যাপ্ত অ্যাম্বুলেন্স ও আশ্রয়ের ব্যবস্থা করারও নির্দেশ দেন তিনি।

বুধবার দিনের বেলায় এমন কঠোর সমালোচনার পর রাতেই বিচারপতি মুরালিধরকে বদলি করে নোটিশ জারি করে ভারতের বিজেপি সরকার। তবে সরকারি কর্তৃপক্ষের দাবি, সুপ্রিম কোর্ট গত ১২ ফেব্রুয়ারি ওই বিচারপতিকে বদলির সুপারিশ করেছে।

১৯৮৪ সালে চেন্নাইয়ে আইন প্রাকটিস শুরু করেন এস মুরালিধরন। ১৯৮৭ সালে দিল্লিতে গিয়ে সুপ্রিম কোর্ট ও দিল্লি হাইকোর্টে প্রাকটিস শুরু করেন। ২০০৬ সালে দিল্লি হাইকোর্টের বিচারপতি নিয়োগ করা হয় তাকে।

 332 total views,  4 views today

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




themesba-zoom1715152249
© আইন আদালত প্রতিদিন। সর্বসত্ব সংরক্ষিত।
ডিজাইন ও ডেভেলপে Host R Web