শনিবার, ২১ মে ২০২২, ০৭:৫২ পূর্বাহ্ন

কলাপাড়া হাসপাতালে ডিজিটাল এক্স-রে করতে অতিরক্ত টাকা নিচ্ছে শফিকুল

কলাপাড়া হাসপাতালে ডিজিটাল এক্স-রে করতে অতিরক্ত টাকা নিচ্ছে শফিকুল

Spread the love

মোঃ জুলহাস মোল্লা, কলাপাড়া প্রতিনিধি

কলাপাড়ার হাসপাতালের ডিজিটাল এক্স-রে করতে অতিরক্ত টাকা দিতে হচ্ছে সাধারণ রোগীদের। অনেক সময় হাসপাতালের মেডিকেল টেকনোলজিস্ট মো. শফিকুল ইসলাম বিভিন্ন অজুহাতে এক্স-রে করছে না, রোগীরা কোন উপায় না পেয়ে হাসপাতালের বাইরে থেকে এক্স-রে করতে বাধ্য হচ্ছে। এতে মোটা অংকের কমিশন যাচ্ছে তার পকেট। সরকারি নিয়ম কারণ তোয়াক্কা না করে রোগীদের কাছ থেকে অতিরক্ত টাকা নিয়ে যাচ্ছে।

কলাপাড়া হাসপাতালের ডিজিটাল এক্স-রে করতে সরকারি নিয়ম হলো ২০০ টাকা অথচ তিনি এ নিয়ম তোয়াক্কা না করে ২৫০/৩০০ টাকা করে নিয়ে থাকে।

বুধবার (১৬ মার্চ) বেলা ১১ টায় সরেজমিনে ও খোঁজ নিয়ে জানা যায়, কলাপাড়া উপজেলার গ্রামগঞ্জে থেকে আসা সাধারণ রোগীরা এই হাসপাতালটিতে আসেন। এই অঞ্চলের সাধারণ মানুষের কথা ভেবে বাংলাদেশে সরকার কলাপাড়া হাসপাতালে ডিজিটাল এক্সরে যন্ত্র স্থাপন করেন। আর এই অঞ্চলের সাধারণ রোগীরা সরকারিভাবে এক্স-রে করাতে পেয়ে অনেক খুশি। অথচ সরকারি নিয়ম তোয়াক্কা না করে হাসপাতালের মেডিকেল টেকনোলজিস্ট মো. শফিকুল ইসলাম রোগীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত টাকা নেয়। কেউ প্রতিবাদ করলে এক্সরে করান না তিনি। রোগীরা কোন উপায় না পেয়ে হাসপাতালের বাইরে থেকে এক্স-রে করতে বাধ্য হয়। ওই ডায়াগনস্টিক সেন্টার থেকে মোটা অংকের কমিশন যাচ্ছে তার পকেট।

এক্স-রে করতে আসা নাচনাপাড়া গ্রামের আলমগীর হোসেন বলেন, বাচ্চাকে নিয়ে ডাক্তারের কাছে এসেছি, ডাক্তার স্যারের এক্সরে করাতে বলছে, বাচ্চাকে নিয়ে হাসপাতালের এক্সরে রুমে গেলে শফিকুল স্যারে বলেন এখন এক্সরে হবেনা, করোনার টিকা চলছে, ব্যস্ত আছি, বাইরে থেকে করে এলো, বাইরের থেকে করলে অনেক টাকা খরচা হবে, এত টাকা মোর লাগে নাই, স্যার কে অনেক বুঝিয়ে শুনিয়ে ৩০০ টাকা চেয়েছে ২৫০ টাকায় এক্স রে করতে পেয়েছি।

চাকামইয়া ইউনিয়নের রশিদ বলেন, হাতের ব্যথা নিয়ে মেয়েকে নিয়ে হাসপাতালে এসেছি, এক্সরে লাগবে এক্সরে করিয়াছি, ২৫০ টাকা নিয়েছে। সরকারি নিয়ম, কোন রিসিভ দেয়নি।

এ ব্যাপারে অভিযুক্ত হাসপাতালের মেডিকেল টেকনোলজিস্ট মো. শফিকুল ইসলাম অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার কথা স্বীকার করে বলেন, অতিরিক্ত টাকা নেওয়া হচ্ছে, তবে ৩০০ টাকা না, ২৫০ টাকা করে নেয়া হয়। আপনার সাথে আমার ভালো সম্পর্ক, আপনি এ নিউজ করতে পারেন না।

এ ব্যাপারে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. চিন্ময় হাওলদার বলেন, এক্স-রে করতে ২০০ টাকা, এর বাইরে অতিরিক্ত কোন টাকা নেয়ার সুযোগ নেই। এ ধরনের অভিযোগ প্রমাণিত হলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মো. জুলহাস মোল্লা
কলাপাড়া
১৬/০৩/২০২২

 241 total views,  2 views today

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




themesba-zoom1715152249
© আইন আদালত প্রতিদিন। সর্বসত্ব সংরক্ষিত।
ডিজাইন ও ডেভেলপে Host R Web