শনিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২২, ০৬:০০ পূর্বাহ্ন

কলাপাড়ার টিয়াখালী ইউনিয়নে নৌকার মনোনয়ন পেতে এগিয়ে বর্তমান চেয়ারম্যান শিমু মীর

কলাপাড়ার টিয়াখালী ইউনিয়নে নৌকার মনোনয়ন পেতে এগিয়ে বর্তমান চেয়ারম্যান শিমু মীর

Spread the love

কলাপাড়ার টিয়াখালী ইউনিয়নে নৌকার মনোনয়ন পেতে এগিয়ে বর্তমান চেয়ারম্যান শিমু মীর

কলাপাড়া থেকে 

কলাপাড়া উপজেলার ২নং টিয়াখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সৈয়দ মশিউর রহমান শিমু যেনো ইউনিয়ন বাসীর ভালোবাসার আরেক নাম।
তিনি নৌকা মার্কা নিয়ে বিপুল ভোটে নির্বাচিত হয়ে ইউনিয়ন বাসীকে সু-সংগঠিত করে একনিষ্ঠ কাজ করে যাচ্ছেন অবিরাম। ইউনিয়নের গ্রাম, মহল্লা, পাড়া,গঞ্জে চায়ের দোকান সর্বজায়গায় শিমু মীর নামটি ফুটে উঠেছে।
দ্বিতীয় বারের মত চেয়ারম্যান হিসাবে পাবার জন্য আশা বুক বেঁধে রেখেছে ইউনিয়ন বাসী।
আসন্ন টিয়াখালী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে তৃণমূলে বাছাই প্রক্রিয়ায় ১৪ই নভেম্বর আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভায় টিয়াখালী ইউনিয়নে কাউন্সিলে সর্বোচ্চ ৩২ ভোট পেয়ে প্রথম হয়েছেন তিনি।
টিয়াখালী বাসীর একমাত্র আস্থার প্রতীক হয়ে
সুখ দুঃখে সব সময় জনগনের পাশে থেকে কাজ করে যাচ্ছেন এমন মনে করেন ইউনিয়ন বাসী।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার আহবানে সাড়া দিয়ে বিশ্বব্যাপি করোনা ভাইরাস মোকাবেলায় সবকিছু ত্যাগ করে তিনি তার জনগনের জন্য কাজ করেছেন।
নিজ কন্ঠে মানুষের সুরক্ষার জন্য সচেতনতা প্রচার করেন।
ঔ সময় ঘরমুখী মানুষের জন্য সরকারী বরাদ্দ ছাড়াও নিজ অর্থায়নে প্রায় ১৪০০ পরিবারের মাঝে খাবার তুলে দেন যা ইউনিয়নবাসীর কাছে দৃষ্টান্ত হয়ে রয়েছে।

কলাপাড়া উপজেলা যুবলীগ নেতা সৈয়দ মশিউর রহমান শিমু জন্মের পর থেকেই ছাত্র রাজনীতির সাথে সংপৃক্ত। কারন তার দাদা বীরমুক্তিযোদ্ধা মরহুম সৈয়দ আবুর হাসেম মীর সাহেব ১৯৭০ সালে নির্বাচনে বঙ্গবন্ধুর হাত থেকে নৌকা মার্কার প্রতীক নিয়ে আমতলী ও কলাপাড়া দুই থানার এমসিএ নির্বাচিত হন। ১৯৭১ সালের স্বাধীনতার যুদ্ধে সংক্রিয়ভাবে অংশ গ্রহন করেন। তিনি একাধারে কলাপাড়ায় প্রথম উপজেলা চেয়ারম্যান ও ২নং টিয়াখালী ইউনিয়ন পরিষদের বার বার নির্বাচিত চেয়ারম্যান হিসাবে ২৫ বছর দায়িত্বরত ছিলেন। তার বাবা সৈয়দ আখতারুজ্জামান (কোক্কা) তার দাদার রাজনৈতিতে সংক্রিয় থাকা অবস্থায় রাজনীতিক কর্মকান্ডের সাথে যুক্ত হন। তার বাবা ১৭ বছর ২নং টিয়াখালী ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি, ২নং টিয়াখালী ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ,উপজেলা আওয়ামীলীগের সদস্য, এবং পটুয়াখালী জেলা কৃষকলীগের সদস্য হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন। তার বাবা বর্তমানে কলাপাড়া মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ড এর সভাপতি হিসাবে দায়িত্বরত আছেন।
তার বাবা আওয়ামীলীগ করার কারনে ১৯৭৯ সালে বিএনপি জিয়াউর রহমানের শাষনাআমলে মিথ্যা হত্যা মামলার আসামী করা হয়। ২০০১ সালে বিএনপি জামাত ক্ষমতায় আসান পর তার বাবার উপর অমানুষিক নির্যাতন ও ডান হাত ভেঙ্গে দেওয়া হয়।
বিএনপি জামাত জোট সরকারের আমলে শিমু মীর নামে ৩০-৪৫ টি মিথ্যা মামলার আসামী করা হয়।
শিমু মীর আওয়ামী রাজনৈতিক পরিবারের সন্তান বিধায় ছোটবেলা থেকেই আওয়ামী লীগ রাজনীতির সাথে সংপৃক্ত। এরশাদ স্বৈরাচারী বিরোধী আন্দোলনের সাথে থেকে সহযোগিতা করেন। ওয়ান ইলেভেনের সময় ৪০টি মামলা দিয়ে তাকে হয়রানী করা হয়। সাবেক অর্থমন্ত্রী এন.এস কিব্রিয়া,আহসান উল্লাহ মাষ্টার, মমতাজ উদ্দীনের হত্যার প্রতিবাদে ও ২১শে আগষ্ট গ্রেনেড হামলা এর প্রতিবাদ করতে গিয়ে বার বার নির্যাতিত হয়। এবং অনেকবার তাকে জেল হাজতে প্রেরন করা হয়েছে। শিমু মীর ১৯৯৭ সালে কলাপাড়া উপজেলা ছাত্রলীগের কোষাধ্যক্ষ, ২০০২সালে কলাপাড়া পৌর ছাত্রলীগের সহসভাপতি ছিলেন। ২০১২ সালে কলাপাড়া উপজেলা যুবলীগের তথ্য গবেষনা ও পাঠাগার সম্পাদক হিসাবে দায়িত্বরত আছে। ২০১৬ সালে জননেত্রী শেখ হাসিনা তাকে নৌকা প্রতীক দিলে বিপুল ভোটে বিজয়ী হয়ে ২নং টিয়াখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হয়ে জনগনের সেবা ও জন নেত্রী শেখ হাসিনার ডিজিঢাল বাংলা ও বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা বাস্তবায়নের লক্ষে দক্ষিন অঞ্চলের মানুষের ভাগ্য উন্নয়নের রূপকার দক্ষিন অঞ্চলের মানুষ যাকে উন্নয়নের মা হিসাবে আখ্যায়িত করে তিনি তাহার একান্ত সৈনিক হয়ে জনগনকে সাথে নিয়ে নিরালস ভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।
তাই টিয়াখালী ইউনিয়নে উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে ও পুনরায় নৌকার মনোনয়ন প্রত্যাশী আওয়ামী পরিবারের সন্তান ত্যাগী নেতা সৈয়দ মশিউর রহমান শিমু।

© আইন আদালত প্রতিদিন

 1,250 total views,  2 views today

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




themesba-zoom1715152249
© আইন আদালত প্রতিদিন। সর্বসত্ব সংরক্ষিত।
ডিজাইন ও ডেভেলপে Host R Web